BD ADDA Live Radio
অমিত সম্ভাবনাময় তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বাংলাদেশের প্রবেশ বেশিদিনের না হলেও তারুণ্যময় যুব সমাজ নিজেদের মেধা এবং পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই নিজেদের পরিণত করেছে যোগ্য ব্যক্তিরূপে। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মক্ষেত্রে পদের বিপরীতে চাকরি প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অনেকের পক্ষেই পছন্দনীয় চাকরি লাভ করা অনেকক্ষেত্রেই সম্ভব হয়ে উঠে না। কিন্তু অনলাইন ভিত্তিক কাজের মাধ্যমে সুযোগ রয়েছে ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্থ লাভ করার। তারুণ্যময় যুব সমাজের অনেকেই বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ সমূহ করার মাধ্যমে অর্থ আয় করে চলেছে। তথ্যপ্রযুক্তির সুফল ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গঠনের নানাবিধ দিকসমূহ তুলে ধরা হয়েছে আমাদের এবারের প্রতিবেদনে। লিখেছেন- ইশতিয়াক মাহমুদ
উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনের তুলনায় দক্ষ জনগোষ্ঠির স্বল্পতার কারণে তারা তাদের প্রয়োজনীয় কাজ সমূহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ হতে স্বল্প খরচে করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের অনেক দেশই অন্য দেশের কাজ সমূহ অনলাইনের মাধ্যমে করে থাকে। মূলত উচ্চ পারিশ্রমীকের কারণে উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাজ সমূহ স্বল্প আয়ের দেশ সমূহ হতে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে আউটসোর্সিং ভিত্তিক বিভিন্ন কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি এই খাতে বিপুল সংখ্যক তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইতোপূর্বে বাংলাদেশে বিগত বছরগুলোতে আউটসোর্সিং ভিত্তিক কাজ সমূহ মূলত প্রাতিষ্ঠানিকভাবে করা হয়ে থাকলেও ইন্টারনেটের বদৌলতে সুযোগ বর্তমানে তৈরি হয়েছে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনলাইন ভিত্তিক কাজ সমূহ করার মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গঠনের। এই পেশার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে স্বাধীনভাবে কাজ করার পাশাপাশি রয়েছে তুলনামূলকভাবে ভাল পারিশ্রমিক। অনেকের মধ্যেই ধারণা রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অর্থ আয় করতে হলে তাকে কম্পিউটার সায়েন্সে ইঞ্জিনিয়ার অথবা স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করতে হবে। কিন্তু অনলাইনে এমনও অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে যাতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের কাজ করার মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গঠনের জন্য প্রয়োজন কম্পিউটার এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ। আর এক্ষেত্রে বাংলাদেশে প্রধান সম্পদ হচ্ছে স্বল্প মূল্যের দক্ষ তরুণ সমাজ। আমাদের দেশে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন ভিত্তিক কাজ সমূহ ইন্টারনেটে করার মাধ্যমে যেসকল কাজ সমূহ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তার মধ্যে রয়েছে আউটসোর্সিং, ডাটা এন্ট্রি, অনলাইন সার্ভে, পিপিসি, পিটিএস, পিটিসি, এফিলিয়েটসসহ ওয়েব পেইজ ভিত্তিক বিভিন্ন কাজসমূহ।
আউটসোর্সিং
উন্নত বিশ্বের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ সমূহ যখন অনলাইনের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তির মাধ্যমে করানো হয়ে থাকে তাকেই মূলত আউটসোর্সিং হিসেবে অভিহীত করা হয়ে থাকে। তুলনামূলকভাবে পারিশ্রমীকের মূল্য কম থাকার কারণে উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশের ন্যায় বাংলাদেশ এক্ষেত্রে আউটসোর্সিং শিল্পে দ্রুত উন্নতি করে চলেছে। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নয় ব্যক্তিগত ভাবেই আউটসোর্সিং কাজ হয়ে থাকে। মূলত ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েব সাইটে আউটসোর্সিংয়ের কাজসমূহ প্রদান করা হয়ে থাকে। জনপ্রিয় আউটসোর্সিং ভিত্তিক সাইট (www.rentacoder.com)-এর মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাওয়া যায়। এই ওয়েব সাইটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ সমূহ প্রদানের লক্ষ্যে তথ্য প্রদান করে থাকে। প্রাথমিক ভাবে এই সাইট হতে কাজ পেতে হলে সদস্য হতে হবে এবং যে মাধ্যমে নিজের যোগ্যতা রয়েছে সে তালিকা অনুযায়ী তাকে কাজের আবেদন করতে হবে। মূলত সর্বনিম্ন অর্থের বিনিময়ে যে ব্যক্তি কাজ করারা আগ্রহ প্রকাশ করে তাকেই আউটসোর্সিং কাজ প্রদান করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আপনার যদি সংশ্লিষ্ট কাজের যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা থাকে তবে আপনি প্রাতিষ্ঠানিক অথবা ঘরে বসেও কাজ করার মাধ্যমে অর্থ আয় করতে সক্ষম হবেন। আর এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে, পারিশ্রমীকের মূল্য নির্ধারিত হয় ডলারে টাকায় নয়। ফলে আয়ের পরিমাণও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজের বিপরীতে প্রাপ্ত আয়ের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে নিঃসন্দেহে।
Rent a Coder, Get a Freelancer, Odesk এর মতো Bid সাইটগুলোর মাধ্যমে বিদেশী কাজ করে, অল্পদিনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। ঙফবংশ এ রয়েছে সারা বিশ্বের সকল প্রকার অনলাইনে করার সুযোগ।আপনি যে বিভাগে অভিজ্ঞ সেই বিভাগই আপনাকে বেছে নিতে হবে।
ডাটা এন্ট্রি
ডাটা এন্ট্রি শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান পূর্বের তুলনায় দিনদিন বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। সেই সাথে অনলাইনের মাধ্যমে ডাটা এন্ট্রির কাজের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়ায় কাজের সুযোগও তুলনামূলকভাবে বেশি। ডাটা এন্ট্রি শিল্পে মূলত অনলাইন এবং অফলাইন ভিত্তিক দুটি উপায়ে কাজের সুযোগ রয়েছে। অনলাইন ভিত্তিক কাজে আপনাকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ডাটা সমূহ প্রদান করতে হবে এবং অফলাইনে প্রদানকৃত ডাটাসমূহ নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী সম্পাদন করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানভেদে এক হাজার ডাটার জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। ফলে মাস শেষে সম্মানজনক আয় করার সুযোগ রয়েছে এই শিল্পে।
পে পার ক্লিক (পিপিসি)
বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই জনপ্রিয় অনলাইন আয়ের মাধ্যম পিপিসি। বাংলাদেশে যা গুগল এ্যাডসেন্স নামে সর্বাধিক পরিচিত। এছাড়াও অনেকে Bidvertiser, Adbrite প্রভৃতি কোম্পানির বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে থাকে।কিন্তু সারা বিশ্বে গুগল এ্যাডসেন্স প্রোগামই সর্বাধিক জনপ্রিয়। চচঈ মূলত একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন প্রচার মাধ্যম। একটি ছোট ওয়েব সাইটের মালিককে কেউই সাধারণত তার কোম্পানির বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য অর্থ প্রদান করবে না। PPC কোম্পাণিগুলো বিজ্ঞাপন দাতা ও বিজ্ঞাপন প্রচারকারীর মিডিয়া হিসেবে কাজ করে। এর বিনিময়ে তারা বড় অংকের সার্ভিস চার্জ কেটে নেয়।কেউ যখন কোন PPC বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে তখনই বিজ্ঞাপন প্রচারকারীর একাউন্টে টাকা জমা হয় ও বিজ্ঞাপন দাতার একাউন্ট থেকে টাকা কাটা যায়। সাধারণত ওয়েব সাইটের কীওয়ার্ড ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রচার করার জন্য ক্লিক এর সংখ্যাও বেশী হয়। তবে কোন ওয়েব সাইট প্রচারকারী যদি নিজে ক্লিক করে, তার একাউন্ট PPC কোম্পানি বন্ধ করে দেয়। গুগল এ্যাডসেন্সে জয়েন করার জন্য google.com/adsense এ গিয়ে সাইনআপ করতে হবে।
Affiliates
অনলাইনে সর্বাধিক অর্থ আয়ের মাধ্যম Affiliate মার্কেটিং। সকল কোম্পানি তার পন্য বিক্রয় করতে চায়। অনলাইনে কোন পন্য বিক্রয় করে কমিশন আয়ের নামই Affiliates মার্কেটিং। অনেক কোম্পানি আছে যারা পন্যের মূল্যের চেয়ে অধিক অংকের কমিশন প্রদান করে। কেননা তারা ভাবে একটি কাষ্টমার শুধু একবারের জন্য কাষ্টমার না। Affiliate মার্কেটিং এর সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে www.cj.com । এ সাইটে সাইনআপ করলে অসংখ্য পণ্যের অনলাইন মার্কেটিং করার সুযোগ রয়েছে।
অনলাইন সার্ভে
বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পন্য কেমন চলবে, তার জন্য অনলাইন সার্ভে কাজ করায়। সেই পন্য সম্পর্কে অভিজ্ঞদের এ ব্যাপারে সাহায্য নেওয়া হয়।
পিটিসি, পিটিএস, সার্ফ, বাক্স
পেইড টু ক্লিক (পিটিসি), পেইড টু সাইন আপ (পিটিএস), সার্ফ, বাক্স ইত্যাদি সহজ কাজের মাধ্যমে যে কেউ অনলাইন থেকে আয় করতে পারে। ওয়েব সাইট ভিজিট করা, ওয়েব সাইটের মেম্বার হওয়ার জন্যই মূলত আপনাকে অর্থ প্রদান করবে। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে অর্থের পরিমান থাকে খুবই কম এবং অনেক ভুয়া কোম্পানি রয়েছে। তাই সতর্কতার সঙ্গে মেম্বার হতে হবে।
কলসেন্টার
সারা বিশ্বজুড়েই কলসেন্টার ভিত্তিক বিশাল ব্যবসা পরিচালিত হলেও এটি মূলত টেলিফোন কেন্দ্রিক পরিচালিত ব্যবসা যার মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত হতে টেলিফোনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সেবাসমূহ প্রদান করতে হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে উন্নত উচ্চ মূল্যে লোকবল নিয়োগ করতে হয়। তাই সে সকল প্রতিষ্ঠান দেশে উচ্চ বেতনে লোকবল এই ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রদান না করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে অনুন্নত দেশসমূহে এই কাজের দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে তাদের অর্থের সাশ্রয় করে থাকে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানে যদি কোন ব্যক্তি ফোন করে তবে বাংলাদেশে অবস্থিত কলসেন্টারে কর্মরত ব্যক্তিরা টেলিফোনের মাধ্যমে যে সেবা প্রদান করবে এটিকে মূলত বলা হয়ে থাকে কলসার্ভিস। যুক্তরাষ্ট্রে এই কাজ করতে একজন ব্যক্তিকে পারিশ্রমিক বাবদ যে অর্থ প্রদান করতে হবে তার থেকে অনেক কম অর্থের বিনিময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত দেশসমূহ হতে কাজ সম্পাদন করা সম্ভব। তাই বিশ্বজুড়েই দিন দিন বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে এই ব্যবসার পরিমাণ। কলসেন্টারকে কাজের ধরনের উপর ভিত্তি করে মূলত দু’ভাগে ভাগ করা যায়। 1. আন্তর্জাতিক কাজের উপর নির্ভরশীল কলসেন্টার 2. দেশের অভ্যন্তরীণ কাজের উপর নির্ভরশীল কলসেন্টার।
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ কাজের উপর প্রতিষ্ঠিত কলসেন্টার কার্যক্রম শুরু হলেও তা এখনও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বকে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে হাতের মুঠোয়। ইন্টারনেট ভিত্তিক কর্মকান্ড সম্পন্নের মাধ্যমে অবারিত হয়েছে অর্থ আয়ের সুবর্ণ সুযোগ। নিজ ক্যারিয়ার গঠনে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হতে পারে অনলাইন ভিত্তিক এই সকল অর্থ আয়ের বিষয় সমূহ। বর্তমানে সাধারণ কাজ সমূহ ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্পন্ন করে মাসে ১০-৪০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। সেই সাথে নিজের মেধা এবং পরিশ্রমের সফল সমন্বয় সাধন করা সম্ভব হলে অনলাইন ভিত্তিক নিজের ক্যারিয়ারে উন্নতি সাধন করা যাবে নিঃসন্দেহে।
মারা গিয়েছিল। এ বোমার বিস্ফোরন এবং কোন দেশের অস্ত্রভান্ডারে এ বোমার সংরক্ষন খুবই বিতর্কিত একটি বিষয়। হিরোশিমা ও নাগাসাকির সেই বিস্ফোরনের পরেও এখন পর্যন্ত আরও প্রায় ২০০০ বার পরীক্ষামূলকভাবে এবং প্রদর্শনের জন্য এ বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। বর্তমানে পারমানবিক বোমার বিস্ফোরন ঘটিয়েছে এবং মুজুদে আছে এমন দেশগুলো হল যথাক্রমে - যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পাকিস্তান। এছাড়া এটা ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে উত্তর কোরিয়া, ইজরাইলেও পারমানবিক অস্ত্র রয়েছে।
সুন্দর একটি লোগো যে কোন প্রতিষ্ঠান বা ওয়েবসাইটের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে । তাই লোগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে এর সৌন্দর্য এবং মৌলিকতার দিকে নজর দিতে হয় । ভাল লোগো ডিজাইন করার জন্য অনলাইনে অনেক টিউটোরিয়াল পাওয়া যায় । সেরকম কিছু টিউটোরিয়াল এর সন্ধান আজ আমি দিতে যাচ্ছি । আর এই পোস্টে আমার কোন কৃতিত্ব নেই । কারন কয়েকটা ইমেজ আর লিংক দিয়েছি শুধু । তবে টিউটোরিয়ালগুলো ইংরেজিতে হলেও বুঝতে খুব একটা কঠিন হবে না ।
Doing Your Own Company Logo Design
How to make an awesome logo
Creating a crazy cool logo
Rectangular Glassy Logo
Creating a stylish green logo
Billiard Ball Logo
শিক্ষা গ্রহনের ধরন দিনে দিনে পরিবর্তিত হচ্ছে। পাবলিক লাইব্রেরীতে গিয়ে মোটা মোটা বইয়ের মাঝে ডুবে থাকার চাইতে অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েব সাইটকে শিক্ষা গ্রহনের কাজে লাগাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এতে করে একদিকে যেমন সময়ের সাশ্রয় হচ্ছে, তেমনি অন্য দিকে হাতের কাছেই পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরন। উইকিপিডিয়ার মত তথ্যবহুল সাইটগুলো সম্পর্কে আমরা প্রায় সবাই জানি। তবে জনপ্রিয় সাইটগুলোর পাশাপাশি আরও অনেক ছোট-বড় সাইট এবং টুল রয়েছে যেগুলো শিক্ষার্থীদের কাজে লাগার মত। এমনই ৮টি টুলস নিয়ে এই পোস্ট।
Foldit
Fold.it মূলত একটি শিক্ষা উপকরনের পাশাপাশি একটি মজার খেলা। প্রোটিনকে আরো ভাল ভাবে বুঝার ক্ষেত্রে এটি শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের সহায্য করবে। পূর্বের বর্ননা অনুযায়ী প্রটিন মলিকিউল করাই এই টুলের কাজ।
Dynamic Periodic Table
ডায়নামিক পিরিয়ডিক টেবিল বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানকে আলাদাভাবে শিখতে সাহায্য করে। এছাড়াও এগুলোকে বিভিন্ন গ্রুপ এবং এগ্রেগেট স্টেটে হাইলাইট করা যাবে। যেকোন একটি উপাদান অথবা গ্রুপে ক্লিক করলে উইকিপিডিয়ার পাতা সহ একটি উইন্ডো খুলে যাবে।
হাজার বছর আগে চাইনিজদের আবিস্কৃত গান পাউডার বদলে দেয় সমরাস্ত্রের ধরন। তখনকার দিনে গ্রেনেড বোমায় ব্যবহৃত হত গান পাউডার। তবে সেগুলো খুব একটা উন্নতমানের এবং নির্ভরযোগ্য ছিলনা। আর সকল প্রযুক্তির সাথে সাথে গ্রেনেডেরও উন্নয়ন ঘটানো হয়। ধীরে ধীরে এক সময় এসে এটি পূর্নতা পায়। বর্তমানে এটি যুদ্ধক্ষেত্রে অতি প্রয়োজনীয় এবং নির্ভরযোগ্য একটি অস্ত্র।
কার্যপ্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে গ্রেনেড প্রধানত দুই ধরনেরঃ
Time-Delay Grenade
এই ধরনের গ্রেনেডকে হ্যান্ড গ্রেনেডও বলা হয়। ১৯ শতকের ভয়াবহ যুদ্ধ সমূহে এ জাতীয় গ্রেনেড ব্যপক হারে ব্যবহৃত হয়েছে। টাইম ডিলেয় গ্রেনেড গুলো সাধারনত সেফটি পিন খুলে হাত দিয়ে ছুঁড়ে মারা হয় এবং একটি নির্দিস্ট সময় পর এটি বিস্ফোরিত হয়। এই সময়টি সাধারনত হয় ৩-৪ সেকেন্ড। তবে কোন কারনে ভিতরের রাসায়নিক পদার্থের গুনগতমানের পরিবর্তন ঘটলে এই সময় কম-বেশি ২-৮ সেকেন্ড হতে পারে।
যেভাবে কাজ করেঃ Time-Delay গ্রেনেডগুলো সাধারনত খাঁজকাটা লোহার ধারক দিয়ে তৈরি হয়। এর ভেতরে একটি ফিউজ মেকানিজম থাকে এবং বাকি অংশে থাকে বিস্ফোরক পদার্থ। ফিউজ মেকানিজম সক্রিয় করার জন্য থাকে একটি Striker যেটি Striker Lever দিয়ে আটকানো থাকে। আর লিভারটি ধরে রাখার জন্য এতে লাগানো থাকে একটি নিরাপত্তা পিন। পিনটি খুলে দিলে Striker কে ধরে থাকা লিভারটি চাপমুক্ত হয় এবং Striker ছুটে গিয়ে আঘাত করে Percussion Cap এ। এরপর এটি কেমিক্যাল মেকানিজমকে সক্রিয় করে দেয় যা কয়েক সেকেন্ড পর ডেটোনেটরকে সক্রিয় করে। ডেটোনেটর গ্রেনেড এর ভেতরে থাকা বিস্ফোরক পদার্থ সমূহকে ডেটোনেট করে এবং বোমাটি বিস্ফোরিত হয়।
Impact Grenade
এ জাতীয় গ্রেনেড এর কার্যপ্রক্রিয়া অনেকটা উড়োজাহাজ থেকে ছুঁড়ে মারা বোমার মত। অর্থাৎ এই গ্রেনেড টার্গেটকে স্পর্শ করার পর পরই বিস্ফোরিত হয়। Impact Grenade হাত দিয়ে নিক্ষেপ করা হয় না। এটি সাধারনত গ্রেনেড লাঞ্চার থেকে নিক্ষেপ করা হয়। এছাড়াও এক ধরনের মেশিনগান রয়েছে যেটিতে সাধারন বুলেট এর বদলে ব্যবহৃত হয় ইম্প্যাক্ট গ্রেনেড বুলেট!
যেভাবে কাজ করেঃ Impact Grenade এর সম্মুখভাগে Impact Trigger নামে একটি অংশ থাকে এবং এটি স্প্রীং দিয়ে মূল কাঠামোর সাথে সংযুক্ত করা থাকে। গ্রেনেড যখন নিক্ষেপ করা হয় তখন Percussion Cap এবং Detonator কে ধরে থাকা স্প্রীংটি সামনের দিকে এগিয়ে যায়। গ্রেনেডের সামনের অংশ অর্থাৎ ইমপ্যাক্ট ট্রিগার যখন টার্গেটকে স্পর্শ করে তখন এর সাথে লাগানো Firing Pin টি Percussion Cap কে আঘাত করে এবং ডেটনেটরটি সক্রিয় হয়ে মূল বিস্ফোরককে ডিটোনেট করে দেয়। তারপরই গ্রেনেডটি বিস্ফোরিত হয়। এই গ্রনেড টাইম ডিলেয় গ্রনেড এর মত সময় নেয় না, বরং টার্গেটকে আঘাত করার সাথে সাথেই বিস্ফোরিত হয়।
মূলত এই দুই ধরনের গ্রেনেডই রয়েছে এবং এর কার্যপ্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে আরও বিভিন্ন ধরনের গ্রেনেড তৈরি করা হয়।
এই পোস্টে মূলত গ্রনেড কিভাবে কাজ করে এ সম্পর্কে ধারনা দিতে চেস্টা করেছি আমার সীমিত জ্ঞান থেকে। তবে মারনাস্ত্র তৈরি ও এ সম্পর্কিত গবেষনাকে আমি বরাবরই ঘৃনা করি। এগুলো একটি সভ্যতাকে ধংস করে দেয়ার হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়।
আবিস্কারের ইতিহাসঃ
প্রথম প্যারাশুটের আবিস্কার এবং ব্যবহার সম্পর্কে বেশ কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে। তবে খুবই নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র মতে এর আবিস্কারের ইতিহাস এরকম। নয় শ শতাব্দীতে প্রথম প্যারাশুটের একটি প্রাথমিক পর্যায় ডেভেলপ করেন Al-Andalus এবং Abbas Ibn Firnas নামক দুই ব্যাক্তি। এরপর চৌদ্দ শ শতাব্দীতে অনেকটা পিরামিড আকৃতির একটি প্যারাশুটের ছবি আঁকেন লিওনার্দো দা ভিঞ্চি। ক্যানোপিকে ধারন করার জন্য এই প্যারাশুটে কাঠের চারকোনা ফ্রেম ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন তিনি। ভিঞ্চির এই প্যারাশুটি আদৌ ব্যবহার অথবা পরীক্ষা করা হয়েছে, এমন কোন প্রমান মেলেনি। তবে এরও অনেক আগে বারো শ শতাব্দীতে চীনে শিশুদের আনন্দ দেয়ার জন্য ছাতা আকৃতির এক ধরনের প্যারাশুট ব্যবহৃত হতো। এটি দিয়ে কিছুটা উঁচু একটি স্থান থেকে লাফ দিয়ে নিরাপদে ভাসতে ভাসতে ভূমিতে নেমে আসা যেত। মূলত প্যারাশুটের উন্নয়ন এবং প্যারাশুট নিয়ে গবেষনা শুরু হয় আঠার শ শতাব্দীতে। Louis-Sébastien Lenormand প্রথম প্যারাশুটে চড়ে একটি গাছ থেকে লাফ দেন। এর দুই বছর পর J. P. Blanchard সিল্ক দিয়ে প্যারাশুট তৈরি করেন এবং এটিতে নমনীয় কাঠামো ব্যবহার করা হয়। এই সময়ে গরম বাতাস ভর্তি বেলুন থেকে প্যারাশুটের মাধ্যমে লাফ দিয়েছেন কেউ কেউ। ১৯১১ সালে Grant Morton প্রথম উড়োজাহাজ থেকে প্যারাশুট দিয়ে লাফ দেন।
গঠন ও কার্যপ্রনালীঃ
আকৃতিগত দিক দিয়ে প্যারাশুট মূলত দুই ধরনের হয়। একটা গোলাকৃতির এবং অপরটি অনেকটা বর্গ বা আয়াতাকৃতির। এগুলোর উপর ভিত্তি করে আরও কয়েক ধরনের প্যারাশুট তৈরি হয়েছে। যেমনঃ রিবন এন্ড রিং টাইপ, র্যাম এয়ার টাইপ ইত্যাদি।
প্রাথমিক অবস্থায় সিল্কের কাপড় দিয়ে তৈরি হতো প্যারাশুট। পরবর্তীতে এ কাজে টেকসই নাইলন এর কাপড়ের ব্যবহার শুরু হয়। এ ধরনের কাপড়গুলো পাতলা এবং হালকা হয়ে থাকে। এই কাপড়ের সাথে আটকানো থাকে সাস্পেনসন লাইন। সাস্পেনসন লাইন এসে যুক্ত হয় হার্নেস এর সাথে। মূল ভারকে বহন করে হার্নেস। প্যারাশুটের মাধ্যমে যখন কোন ব্যক্তি বা বস্তু উপর থেকে নামতে থাকে, তখন ক্যানোপি বা প্যারশুটের গোল অথবা বর্গাকৃতির কাপড়টিতে বাতাস লেগে উর্ধমূখী চাপের সৃস্টি হয়। ফলে সেই বস্তু বা ব্যক্তির পতনের গতি কমে যায় এবং নিরাপদে ভূমিতে অবতরন করতে পারে। আধূনিক প্যারাশুট গুলোতে কন্ট্রোল লাইন থাকে যা দিয়ে এর গতি এবং দিক নিয়ন্ত্রন করা যায়। নিচের চিত্রটি দেখলে বিষয়টি আরও পরিস্কার হবে।
প্যারাশুট নিয়ে কিছু রেকর্ড ও উল্লেখযোগ্য ঘটনাঃ
প্যারাশুট দিয়ে সবচেয়ে উঁচু থেকে লাফ দিয়ে রেকর্ড সৃস্টি করেন Joseph Kittinger ১৯৬০ সালে। প্রায় ৩১ হাজার মিটার উপর থেকে তিনি লাফ দেন এবং এ উচ্চতায় উঠার জন্য ব্যবহার করেন একটি গরম বাতাস ভর্তি বেলুন।
এপোলো ১৫ তার চাঁদে অভিযান শেষে এর ক্যাপসুলটিকে পৃথিবীতে সমুদ্রের পানিতে অবতরনের সময় ব্যবহার করা হয় তিনটি প্যারাশুট। দূর্ভাগ্যবশত এর একটি প্যারাশুট পুরোপুরি খোলে না এবং বিকল হয়ে যায়।
তবে ক্যাপসুলটি নিরাপদেই অবতরন করতে পেরেছিল। কারন সেটি ডিজাইন করা হয়েছিল দুটি প্যারশুট দিয়ে অবতরনের উপযোগী করে। আর অপর প্যারাশুটটি রাখা হয়েছিল যদি কোন কারনে একটি প্যারাশুট বিকল হয়ে যায়, তখন যাতে সেই ব্যাকআপ প্যারাশুটটি ব্যাবহার করা যায়। আর ঘটেছিলও ঠিক তাই …

